কীভাবে ফাইভার কাজ করে?

ফাইভার একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এখানে সেলার আর বায়ার নামে দুই ধরণের ইউজার আছে। আপনি যেকোন ইউজারে যেকোন সময় পরিবর্তন করে সার্ভিস নিতে বা দিতে পারবেন।

সেলার এর ক্ষেত্রেঃ সেলার মুলত যারা টাকার বিনিময়ে সার্ভিস প্রদান করে। একজন সেলার ফাইভারে গিগ (নিজে কি কাজ জানে তার সম্পর্কে বিজ্ঞাপন) বানাতে পারে। সেলারের লেভেল অনুযায়ী কয়টি গিগ বানাতে পারবে তা নির্ভর করবে। ৪ ধরনের সেলার রয়েছে যথাঃ নিউ সেলার, লেভেল ১ সেলার, লেভেল ২ সেলার আর টপ রেটেড সেলার। বায়ারের রিকোয়েস্ট উনুযায়ী তাদের কাজ করে দেওয়ার জন্য অফারও পাঠাতে পারে।

বায়ারের ক্ষেত্রেঃ বায়ার মুলত যারা সেলারের কাছে থেকে সার্ভিস কিনে। তাদের যে সার্ভিস প্রয়োজনে তারা সেই রিলেটেড কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে, তখন সেই রিলেটেড গিগ ফাইভারে তাদের দেখায়। এর মধ্যে থেকে তাদের পছন্দের সেলারারের কাছে থেকে সার্ভিস নেয়।

প্রতিটি প্রজেক্ট এ ফাইভার বায়ার ও সেলার উভয়ের কাছে থেকে প্রজেক্টের মুল্যের উপর ২০% চার্জ করে। সেলার ও বায়ারের যেকোন সমস্যার জন্য ফাইভারে রয়েছে হেল্প সেন্টার।

কোন প্রজেক্ট শুরু হবার পূর্বে বায়ার ও সেলারের মধ্যে এগ্রিমেন্ট হয় সেটা ওর্ডার নামে পরিচিত। এগ্রিমেন্ট হলে একটা ওর্ডার পেজ তৈরি হয়, ওর্ডার পেজে বায়ারের রিকয়ার্মেন্ট, টাইম ও সেলারের পারিশ্রমিক উল্লেখ থাকে। ওর্ডার পেজে টাইমার এগ্রিমেন্ট এর টাইম অনুযায়ী কমতে থাকে।

ওর্ডার কাজ শেষ করে সেলারকে কাজ ডেলিভারি দিতে হয়, বায়ার ডেলিভারি পাওয়ার পর কোন জায়গা পছন্দ না হলে রিভিশন চাইতে পারে। এরপর বায়ারকে ডেলিভারি একসেপ্ট করতে হয়, তখন সে সেলার কে ১ থেকে ৫ এর মধ্যে রেটিং ও একটা ফিডব্যাক দিতে পারে যা পরবর্তীতে সেলারের প্রফাইলে পাবলিক ভাবে সবাইকে দেখায়।অনুরুপ ভাবে সেলারও বায়ারকে রেটিং ও ফিডব্যাক দিতে পারে।

বায়ার কাজ একসেপ্ট করার ১৫ দিন পর সেলার টাকা তুলতে পারে।(টপ রেটেড সেলারদের জন্য ৭ দিন)

ব্যাংক টান্সফার, ফাইভার রেভিনিউ কার্ড(পেওনিয়র), পেপাল এই ৩ মাধ্যমে সেলার টাকা তুলতে পারে।

সাধারণ ত ৫ ডলার থেলে যেকোন এমাউন্ট এর ওর্ডার এ সেলার কাজ করতে পারবে।

ফাইভারে নিজেস্ব নিয়ম কানন রয়েছে সেলার ও বায়ারদের এই নিয়ম কানন মেনে চলতে হয়। এছাড়াও ফাইভারের নিজস্ব ফোরাম ও ব্লগ সাইট রয়েছে।

Read More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *