ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করুন 50 থেকে 1 লাখ টাকা !

ফ্রিলান্সিং/ আউটসোর্সিং নামটার সাথে অনেকেই পরিচিত, অনেক ইচ্ছা থাকা সত্বেও সঠিক গাইডলাইন আর অনর্গল চেষ্টার অভাবে অনেকেই ব্যর্থ হচ্ছেন। এই সিরিজে আমি ফ্রিলান্সিং এর খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করবো, ভেঙে ভেঙে বিশ্লেষণ করবো, কিভাবে & কি করে ফ্রিলান্সিং জগতে পা রাখবেন।

ফ্রিলান্সিং কি?
ইন্টারনেট ব্যবহার করে কাজ করে ডিজিটাল অর্থ উপার্জন করাকে ফ্রিলান্সিং বলে।

আউটসোর্সিং কি?
ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের কাজ অন্যকে দিয়ে করিয়ে নেওয়াকে আউটসোর্সিং বলে।

কি কি যোগ্যতা থাকা আবশ্যক?
🔹ইংলিশে যোগাযোগ করার ক্ষমতা। (Written)
🔹ইন্টারনেট ব্রাউজিং সম্পর্কে ভাল ধারণা।
🔹Google এবং Youtube ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় তথ্য বের করে আনার ক্ষমতা।

শুরু করতে কি কি প্রয়োজন?
🔹ইন্টারনেট কানেকশন
🔹কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ
🔹মোবাইল [সীমিত কাজের জন্য]

Freelancing এর কাজসমূহ?
কাজের ধরণের ভিত্তিকে ফিলান্সিংকে আলাদা আলাদা পার্টে ভাগ করা হয়ে থাকে। প্রতিটি ভাগের ই নিজস্ব নাম রয়েছে। এই ভাগগুলোকে Sector অথবা Niche বলা হয়ে থাকে। এদের আবার উপ সেক্টরও রয়েছে।
নিচে উল্লেখযোগ্য কিছু সেক্টরের নাম তুলে ধরা হল:

🔹Digital Marketing
🔹Graphic Design
🔹Youtubing
🔹SEO (Search Engine Optimization)
🔹Writing
🔹Web Design & Development

কোন কাজটি সহজ?
এটা আপনাকে নিজে খুজে বের করতে হবে। প্রতিটা সেক্টরভিত্তিক কাজের চাহিদা, ধরণ, সহজ, কঠিন নির্ভর করে। আপনাকে সবগুলো সেক্টরের কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে এবং বুঝে নিতে হবে কোন সেক্টরের কাজটি আপনার জন্য উপযুক্ত।

কাজ শিখবো কিভাবে?
ব্যক্তিগত ভাবে ফ্রিলান্সিং আমি কোন প্রশিক্ষক থেকে শিখিনি। সম্পূর্ণটা নিজের চেষ্টায় Youtube, Google থেকে শিখেছি। দেশে শতশত কোচিং সেন্টার রয়েছে যারা ৬ মাস মেয়াদী কোর্সের মাধ্যমে ফ্রিলান্সিং শেখায়। আমার সাজেশন থাকবে, ওইসব কোচিং সেন্টার থেকে দূরে থাকার। কারণ, ওরা যা শিখাবে সেটা আপনি ইউটিউব, গুগল সহ বিভিন্ন সাইটে পেয়ে যাবেন। আপনাকে শুধু ইন্টারনেট থেকে সার্চ দিয়ে টিউটোরিয়াল বের করার প্রাথমিক জ্ঞান থাকতে হবে।

কোথায় কাজ করবো?
ফ্রিলান্সিং কাজ করার জন্য বেশ কতগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে। যাদেরকে ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস বলা হয়। এই মার্কেটপ্লেস গুলোতে যে কাজ করবে (ফ্রিলান্সার) এবং যে কাজ দিবে (ক্লায়েন্ট) থাকে। আপনি কাজ কম্পিলিট করে ক্লায়েন্টকে জমা দিবেন এবং ক্লায়েন্ট সেটা চেক করে আপনাকে পেমেন্ট দিবে। এমন কিছু মার্কেটপ্লেস হচ্ছে:
🔹Upwork.com
🔹Fiverr.com
🔹Golance.com

মার্কেটপ্লেসের বাইরেও আপনি চাইলে লোকালি কাজ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ফেসবুক, টুইটার সহ অনেক সোশাল মিডিয়া, ফরামে বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্লায়েন্ট খুজে নিয়ে কাজ করতে পারবেন।

উপার্জিত টাকা কিভাবে তুলবো?
আপনি যদি মার্কেটপ্লেস গুলাতে কাজ করেন তাহলে আপনার ক্লায়েন্ট পেমেন্ট করার পর সেই পেমেন্ট সরাসরি আপনি পাবেন না। সেই পেমেন্টটি সর্বপ্রথম মার্কেটপ্লেস অথোরিটির কাছে যাবে, এরপর একটি নির্দিষ্ট সময় পর সেই পেমেন্টটি আপনি তুলতে পারবেন। টাকা তোলার জন্য আপনাকে যেকোন একটি এক্সচেঞ্জ ওয়েবসাইটের সাহায্য নিতে হবে। সেক্ষেত্রে জনপ্রিয় এক্সচেঞ্জ ওয়েবসাইট হচ্ছে, Payoneer.com

উপরোক্ত ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খোলার পরে মার্কেটপ্লেস থেকে উপরোক্ত এক্সচেঞ্জ ওয়েবসাইটে ডলার ট্রান্সফার করতে পারবেন। এরপর সেই ডলারটি এক্সচেঞ্জ সাইটে আসার পর আপনার নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বাংলাদেশি টাকায় নিতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *